জাবিপ্রবিতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) যথাযথ মর্যাদায় ও সাড়ম্বরে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আমির হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) প্রফেসর ড. [...]
AI summary
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) যথাযথ মর্যাদায় ও সাড়ম্বরে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আমির হোসেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সারওয়ার জাহান।এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শরীফ আর রাফি।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শরীফ আর রাফি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধ জনযুদ্ধ হলেও কিছু রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বাধীনতা চায়নি, যা অনস্বীকার্য। ২৫ মার্চের আক্রমণ পাকিস্তানি বাহিনীর দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকায় সাধারণ জনতা ও সিপাহিরাই প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সে সময় মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশকে খাদের কিনারা থেকে রক্ষা করা হয়। জিয়াউর রহমান রেমিট্যান্স, কৃষি ও গার্মেন্টস খাতকে শক্তিশালী করে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেন এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন।” নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানোর ওপর তিনি জোর দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আমির হোসেন বলেন,” বাংলাদেশ যখনই সংকটে পড়েছে, তখনই শহীদ জিয়াউর রহমানের পরিবার সামনে এসেছে। ২৫ মার্চের পর যখন জাতি দিশেহারা ছিল, তখন মেজর জিয়াউর রহমান আলোর দিশা দেখিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর দেশে সরকার ব্যবস্থাহীন অবস্থা তৈরি হলে ৭ নভেম্বরের ঘটনায় তিনি দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনেন এবং কৃষি, রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস খাতকে শক্তিশালী করে অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলেন। তিনি সমাজের বিচক্ষণ ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনীতি শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন উল্লেখ করে বর্তমান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে সবাইকে দেশ গড়ার আহ্বান জানান।”
সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, “বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করে না এবং পড়াশোনার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত।” তিনি ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের ইতিহাস জানার আহ্বান জানান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমান, সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার, সহকারী অধ্যাপক ড. আল মামুন সরকার, সহকারী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল আলম শুভ, সহকারী অধ্যাপক ইমরুল কবির, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এ কে এম আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এবং সদস্য সচিব যীনাত মিয়া আজিজুলসহ অনেকে৷
অনুষ্ঠানটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন৷
Follow the story
About this article
- Length
- 400 words · 2 min read
- Published
- November 7, 2026
- Byline
- অধিকার ডিজিটাল ডেস্ক
- Source
- Odhikar