পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো না, চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ফরহাদের
পরিবারের অভাব ঘোচাতে দূর চট্টগ্রামে পাড়ি জমিয়েছিলেন মো. ফরহাদ শেখ (৩৫)। শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করতেন, স্বপ্ন দেখতেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চুকিনগর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গত বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার [...]
পরিবারের অভাব ঘোচাতে দূর চট্টগ্রামে পাড়ি জমিয়েছিলেন মো. ফরহাদ শেখ (৩৫)। শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করতেন, স্বপ্ন দেখতেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চুকিনগর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গত বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় রেললাইনের আপ ও ডাউন লাইনের মাঝখান থেকে ফরহাদের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
ফরহাদ শেখ বোয়ালমারী উপজেলার চুকিনগর গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী সোহরাব শেখের ছেলে। পরিবারের জীবিকার তাগিদে তিনি চট্টগ্রামে শ্রমিকের কাজ করতেন।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে আমবাগান এলাকার রেললাইনের পাশের একটি হোটেলে নাশতা শেষে রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন ফরহাদ। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা অভিমুখী একটি ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় তাঁর একটি হাত ও একটি পা ভেঙে যায়। মাথায়ও গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর তাঁর সঙ্গে থাকা পরিচয়পত্র ও মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। খবর পেয়ে স্বজনেরা চট্টগ্রামে গিয়ে বুধবার রাতেই মর্গে মরদেহ শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফরহাদের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত স্বজন ও প্রতিবেশীরা। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় যে মানুষটি দূর শহরে শ্রম দিতেন, তাঁর এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না কেউ। পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে চট্টগ্রামে যাওয়া ফরহাদের নিথর দেহ ফিরছে বাড়িতে এ শোক যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না চুকিনগর গ্রাম।
Follow the story
About this article
- Length
- 230 words · 1 min read
- Published
- October 24, 2026
- Byline
- জাকির হোসেন
- Source
- Odhikar